সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে একটি কালিমন্দিরে ভাঙচুর, স্বর্ণালঙ্কার লুট এবং এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে তালা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আহত সুভাষ দাস জানান, গত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে তারা ওই মন্দিরে নিয়মিত পূজা-অর্চনা করে আসছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে মন্দিরের জমি নিয়ে স্থানীয় সুজন সরকার (২৮), সুমন সরকার (৩০), পিতা রনজিত সরকার এবং গোপালী সরকারসহ কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় মন্দির ভাঙচুর ও সম্পত্তি দখলের হুমকি দিয়ে আসছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে ফতেপুর কালিমন্দিরে হামলা চালায়। এ সময় তারা মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং দেবীর গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি স্বর্ণের টিকলি, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা, লুট করে নিয়ে যায়।
এ সময় সুভাষ দাস বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় রিয়া দাস, উজ্জল দাসসহ কয়েকজন এগিয়ে এসে আহত সুভাষ দাসকে উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম জানান, উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।