1. admin@newstolife.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএমটিএ-এর সভাপতি মুফাসসেরুল হক, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সিতাবুর রহমান এসএসসি বৃত্তির ফলাফলে পলাশের সেরা তালিকায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ–জাপান মেডিকেল ট্যুরিজম সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে চেন্নাইয়ের SRM PRIME HOSPITAL-এর মতবিনিময় সভা ভূইয়মে একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি, চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগ উন্নত থোরাসিক সার্জারিতে এআই ও রোবটিকস: ঢাকায় অভিজ্ঞতা বিনিময় করলেন ভারতীয় বিশেষজ্ঞ চীনের ফোশানে অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক অনকোলজি ফোরাম ও সামিট ২০২৬ ঢাকায় আসছেন ভারতের ম্যাক্স হেলথকেয়ারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অবহেলা-অব্যবস্থাপনায় আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট, নাজুক পরিবেশ ও অনিয়মের অভিযোগ—তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা ও দিল্লি

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ১৫০ বার পঠিত

কয়েক মাসের অস্থিরতা কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে ঢাকা ও দিল্লি প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে পূর্ণাঙ্গ ভিসা পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সব ক্যাটাগরিতে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রদান শুরু করলেও ভারত আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ধীরে ধীরে তাদের ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

গত মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান যখন ভারত সফর করেন, তখন ঢাকার পক্ষ থেকে তোলা প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে একটি ছিল ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা। বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে অবস্থিত হাইকমিশন এবং কলকাতা, আগরতলা, মুম্বাই ও চেন্নাইয়ের কনসুলার বিভাগসহ ভারতের সকল বাংলাদেশি ভিসা কেন্দ্র সচল রয়েছে। ঢাকা এখন দিল্লির কাছ থেকে একই ধরনের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে।

এ প্রসঙ্গে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, ‘গত বছরের ডিসেম্বরে আমাদের কিছু কেন্দ্রে ভিসা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে হয়েছিল, যা ফেব্রুয়ারিতে পুনরায় চালু করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে ঢাকা সফর করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। ২০২৪ সালের আগস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তৈরি হওয়া বৈরিতা কাটিয়ে, নতুন বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দিল্লি ও ঢাকা সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

উভয় পক্ষের ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে গেলে দিল্লি ও ঢাকা অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং জ্বালানি সংযোগসহ অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মনোযোগ দেবে। সূত্রমতে, আগামী সপ্তাহগুলোতে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়েও পরিকল্পনা হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করেছে ভারত। নয়াদিল্লির সরকারি সূত্র জানিয়েছে, গত বছর নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা পরিষেবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তা কখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বিশেষ করে চিকিৎসা বা পারিবারিক জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বিবেচনার ভিত্তিতে ভিসা দেওয়া হয়েছে।

সূত্রগুলো আরও জানায়, ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম ধাপে ধাপে পুনরায় শুরু করার প্রচেষ্টা চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা পরিষেবা বর্তমানে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের আগের তুলনায় মাত্র ১৫-২০ শতাংশ সচল আছে, এক্ষেত্রে চিকিৎসা ও পারিবারিক ভিসাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদি শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ করলে ভারত পূর্ণাঙ্গভাবে ভিসা পরিষেবা শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ ফেব্রুয়ারি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে দুই মাসে ভারতীয় নাগরিকদের ১৩ হাজারেরও বেশি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ব্যবসা, পর্যটন, চিকিৎসা এবং পারিবারিক ভ্রমণের ভিসা অন্তর্ভুক্ত।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিকরা সাধারণত দিল্লি, মুম্বাই এবং চেন্নাই থেকে ব্যবসা ও পর্যটন ভিসার জন্য আবেদন করেন। অন্যদিকে কলকাতা ও আগরতলা কেন্দ্রে একটি বড় অংশ পারিবারিক কারণে ভিসার আবেদন করে থাকেন।

অন্যদিকে, ভারতে আসা বিদেশি পর্যটকদের ২০ শতাংশই বাংলাদেশি। চিকিৎসা, ব্যবসা এবং বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার পরিজনের সাথে সাক্ষাৎ তাদের ভ্রমণের প্রধান উদ্দেশ্য, যার মূল গন্তব্য থাকে পশ্চিমবঙ্গ। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রায় ২১ লাখ ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি ভারত সফর করেছিলেন, যা ২০২৪ সালে সামান্য কমে সাড়ে ১৭ লাখে দাঁড়ায়।

২০২৫ সালে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভিসা নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে ৪ লাখ ৭০ হাজারে নেমে আসে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রাম ও সিলেটে ভারতীয় মিশনের বাইরে সহিংস বিক্ষোভের পর ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট সীমিত করা হয়েছিল।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »