⭕️”রক্তাক্ত কারবালা”- মক্কা বিজয়ের পর যখন ইসলামের আলো পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে লাগলো তখনই ইসলামের ছায়াতলে দলে দলে সত্যান্বেষী মানুষ আশ্রয় নিতে থাকে। ইসলামের এই অগ্রযাত্রা যদি থামানো না যায় তাহলে
...বিস্তারিত
হে নির্মল বায়ু— অধিবাস্তব শূন্যতার অন্তঃস্থলে প্রবাহিত অনন্ত অনুপ্রবাহ, তোমার প্রতি এই নৈর্ব্যক্তিক আদেশ— সর্বাধিপত্যশীল, অবিনশ্বর। আমি, অদ্বিতীয় বিধান-স্রষ্টা, নিষ্পাপ নির্মেন্দু সমীকরণের অতল গহ্বরে তোমাকে স্থাপন করেছি এক অনির্ণেয় অবস্থানে—
বিবেক এখনো বেঁচে আছে আমি মেনে নেব না— এই উত্তর-ঔপনিবেশিক মনন-যন্ত্রের সূক্ষ্ম কারসাজি, যেখানে চেতনা ধীরে ধীরে প্রতিস্থাপিত হয় শৃঙ্খলিত স্বয়ংক্রিয়তায়, আর স্মৃতি—রাষ্ট্রীয় নকশার অধীনে—পরিণত হয় পরিকল্পিত বিস্মৃতির প্রাতিষ্ঠানিক সংরক্ষণাগারে।
মা, আজ আকাশে চাঁদ ওঠেনি উঠেছে শিশুদের চাপা কান্না বাতাসে ভেসে আসে ছোট্ট দু’টি হাতের আর্তনাদ— “মা, আমাকে বাঁচাও…” রাতের অন্ধকারে মানুষের মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ানো ছায়ারা মানবতার নিঃশব্দ দরজায়
অস্তিত্বের নীরব ব্যাকরণ চিন্তার অতিবৃদ্ধি চেতনার প্রান্তসীমা ভেঙে এক আত্ম-অবরোধে রূপ নিলে উদ্বেগ আর কোনো বহিরাগত অভিঘাত নয় এটি হয়ে ওঠে অন্তঃসত্তার নিজস্ব উৎপাদন এক আত্ম-প্রজনিত ভারসাম্যহীনতা পরাবাস্তব পরীক্ষাগারে যেখানে