
এসএসসি বৃত্তির ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার বৃত্তির ফলাফলে বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের মোট ২০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ১৫ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করেছে। শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে এবং ৭ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। অন্যদিকে, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৩ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৮ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করেছে।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে মোঃ তাসনিম রায়হান ও সারিয়াম আকন্দ।
সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো—তৌহিদুল ইসলাম, ইবনেসিনা, স্নিগ্ধ পাল, জিসান শেখ, তামজীদ ইসলাম, শেখ মুস্তাফিজুর রহমান ও নাজিবা।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে সুদেষ্ণা ধর, সুরানা বিনতে ইলিয়াস ও বুশরা জাহান।
সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করেছে তানহা, দোহা, তানজিম জান্নাত, তৌহিদা ইউসুফ, ইভা আক্তার, আনিসা বেগম, তাহারিয়া মাসুম ও মৃদুল শেখ।
বিদ্যালয়ের এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষক জনাব মাসুদ খান বলেন, “প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা আমাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পেরেছি। এ অর্জনের পেছনে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিচালনা পর্ষদ এবং অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাঁদের সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভালো ফলাফলের এ ধারা অব্যাহত রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের এ অর্জনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জনাব হেলাল উদ্দিন আহমেদ, যিনি আকিজ বশির গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি)।
তিনি বলেন, এ সাফল্য বিদ্যালয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং শিক্ষকদের আন্তরিকতার প্রতিফলন। ভবিষ্যতেও এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরিচালনা পর্ষদের সবাইকে আরও যত্নশীল, দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী হতে হবে।
জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের ২০ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জন বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ অর্জন ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ সাফল্যের ধারা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষার্থীরা মেধা, যোগ্যতা ও সাফল্যের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে।