
ক্যান্সার চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও বিশ্বব্যাপী পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীনের ফোশান শহরে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো “৫ম আন্তর্জাতিক অ্যাডভান্সড রেডিয়েশন অনকোলজি ফোরাম ২০২৬” এবং “১ম আন্তর্জাতিক অনকোলজি ট্রিটমেন্ট সামিট“। এবারের সম্মেলনে মূলত স্টেরিওট্যাকটিক বডি রেডিওথেরাপি (এসবিআরটি), স্পেশিয়ালি ফ্র্যাকশনেটেড রেডিওথেরাপি (এসএফআরটি), পার্টিকেল থেরাপি এবং আন্তর্জাতিক কোলাবোরেশনের ওপর বিশেষ আলোকপাত করা হয়। আধুনিক অনকোলজি চিকিৎসার প্রসারে এই সম্মেলন বিশ্বব্যাপী চিকিৎসকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।
এই আন্তর্জাতিক সামিটের অন্যতম আয়োজক ফোসুন হেলথ (FOSUN HEALTH) আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বাস্থ্যসেবায় এক স্বনামধন্য নাম। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বমানের বিশেষায়িত ৬টি হাসপাতালের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রোগীদের জন্য অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রোগীদের জন্য ক্যান্সার চিকিৎসাসহ অন্যান্য জটিল রোগের সর্বোচ্চ মানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর।

সম্মেলনটিতে বিশ্বের নামিদামি চিকিৎসকদের পাশাপাশি সশরীরে উপস্থিত ছিলেন ফোসুন হেলথের বাংলাদেশ শাখার মেডিকেল এডভাইজার ডা. মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনকোলজিস্টদের সাথে একই মঞ্চে উপস্থিত থাকতে পারাটা দারুণ এক অভিজ্ঞতা। ফোসুন হেলথের এই ধরনের বৈশ্বিক উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের রোগীরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও নির্ভুল ও উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।”
দেশের স্বনামধন্য একটি আন্তর্জাতিক মেডিকেল ট্যুরিজম কো-অর্ডিনেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আন্তর্জাতিক ক্লিনিক্যাল গবেষক ও স্পাইন এক্সপার্ট ডা. ইবতিশাম এই আন্তর্জাতিক সামিটের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, “এমন একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক সামিট আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের ডাক্তারদের জন্য বিশাল এক অনুপ্রেরণা। এই ধরনের সম্মেলন তরুণ চিকিৎসকদের নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে এবং এর মাধ্যমে রোগীদের আরও উন্নত চিকিৎসা প্রদানে উদ্বুদ্ধ করবে, যা ভবিষ্যতে দেশের স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম।”
উন্নত প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যান্সার চিকিৎসার আগামী দিনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে এই ফোরাম এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সম্মেলনে আগত বিশেষজ্ঞরা।