1. admin@newstolife.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএমটিএ-এর সভাপতি মুফাসসেরুল হক, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সিতাবুর রহমান এসএসসি বৃত্তির ফলাফলে পলাশের সেরা তালিকায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ–জাপান মেডিকেল ট্যুরিজম সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে চেন্নাইয়ের SRM PRIME HOSPITAL-এর মতবিনিময় সভা ভূইয়মে একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি, চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগ উন্নত থোরাসিক সার্জারিতে এআই ও রোবটিকস: ঢাকায় অভিজ্ঞতা বিনিময় করলেন ভারতীয় বিশেষজ্ঞ চীনের ফোশানে অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক অনকোলজি ফোরাম ও সামিট ২০২৬ ঢাকায় আসছেন ভারতের ম্যাক্স হেলথকেয়ারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অবহেলা-অব্যবস্থাপনায় আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট, নাজুক পরিবেশ ও অনিয়মের অভিযোগ—তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত পলাশী: তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা ও জীবিকা

উত্তম কুমার সিকদার, পলাশ, নরসিংদী
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬৬ বার পঠিত

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দিন ধরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দিনে একাধিকবার এবং গভীর রাতেও বারবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে তীব্র গরমের মধ্যে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। গরমে ঘরে অবস্থান করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্যান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ থাকায় অনেক শিশু ও বৃদ্ধ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। রাতে নিরবচ্ছিন্ন ঘুম না হওয়ায় কর্মজীবী মানুষের স্বাভাবিক কাজেও প্রভাব পড়ছে।

বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী গরমের কারণে ঠিকমতো পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। স্থানীয় কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অতিরিক্ত গরমে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ছে এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে।

শুধু শিক্ষা নয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় জীবিকায়ও। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকেরা সময়মতো ব্যাটারি চার্জ দিতে না পারায় নিয়মিত গাড়ি চালাতে পারছেন না। এতে তাঁদের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

স্থানীয় অটোরিকশাচালক স্বপন মিয়া বলেন, “আগে প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে যা আয় হতো, তা দিয়ে মালিকের জমা দেওয়ার পর কোনোভাবে সংসার চলত। এখন বিদ্যুতের কারণে ঠিকমতো চার্জ দিতে পারি না। ফলে আয় এতটাই কমে গেছে যে মালিকের জমার টাকাই তুলতে কষ্ট হয়, সংসার চালানো তো আরও কঠিন হয়ে গেছে।”

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »