1. admin@newstolife.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএমটিএ-এর সভাপতি মুফাসসেরুল হক, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সিতাবুর রহমান এসএসসি বৃত্তির ফলাফলে পলাশের সেরা তালিকায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ–জাপান মেডিকেল ট্যুরিজম সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে চেন্নাইয়ের SRM PRIME HOSPITAL-এর মতবিনিময় সভা ভূইয়মে একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি, চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগ উন্নত থোরাসিক সার্জারিতে এআই ও রোবটিকস: ঢাকায় অভিজ্ঞতা বিনিময় করলেন ভারতীয় বিশেষজ্ঞ চীনের ফোশানে অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক অনকোলজি ফোরাম ও সামিট ২০২৬ ঢাকায় আসছেন ভারতের ম্যাক্স হেলথকেয়ারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অবহেলা-অব্যবস্থাপনায় আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট, নাজুক পরিবেশ ও অনিয়মের অভিযোগ—তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

সাতক্ষীরার আমের সুনাম নষ্টে সক্রিয় চক্র

শাহেদ আহমেদ, সাতক্ষীরা
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৯০ বার পঠিত

নির্ধারিত সময়ের আগেই অপরিপক্ব আম পাড়া এবং কেমিক্যাল দিয়ে পাকানোর কারণে সাতক্ষীরার বিখ্যাত আম—বিশেষ করে গোবিন্দভোগ ও হিমসাগরের সুনাম ও বাজারমূল্য হুমকির মুখে পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি অসাধু চক্র অধিক মুনাফার আশায় মৌসুম শুরুর আগেই কাঁচা আম বাজারে সরবরাহ করছে।

জানা গেছে, সাধারণত মে মাসের মাঝামাঝি বা শেষ দিকে আম বাজারজাত হওয়ার কথা থাকলেও, কিছু ব্যবসায়ী মাসের শুরুতেই অপরিণত আম সংগ্রহ করে বাজারে ছাড়ছেন। এতে ঐতিহ্যবাহী সাতক্ষীরার আমের স্বাদ ও গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি জোরদার করা হলেও এই প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে পরিচালিত এক অভিযানে ৮৪ মণ অপরিপক্ব ও কেমিক্যালযুক্ত আম জব্দ করে ধ্বংস করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরার শ্যামনগর, কালিগঞ্জ, দেবহাটা, আশাশুনি, সদর, কলারোয়া ও তালা উপজেলার পাশাপাশি যশোরের শার্শা উপজেলার আমও “সাতক্ষীরার আম” হিসেবে সারাদেশে পরিচিত।

লাবসা গ্রামের আমচাষি লিয়াকত হোসেন বলেন, উপকূলীয় আবহাওয়ার কারণে কিছু এলাকায় আম অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় ৫ থেকে ৮ দিন আগে পরিপক্ক হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে সংগ্রহ করলে তা স্বাভাবিকভাবে পাকে না।

অন্যদিকে কলারোয়ার ঝাপাঘাট গ্রামের চাষি মাহাবুবুর রহমান বলেন, “আগে আম পাড়লে তা স্বাভাবিকভাবে পাকে না। ইথোফিন স্প্রে করলে আম পাকলেও দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং স্বাদ নষ্ট হয়।”

এদিকে, কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী বেলতলা আমবাজারে ঘুরে দেখা গেছে, ২৯ এপ্রিল থেকেই গোপনে গোবিন্দভোগ আম বাজারে আনা হচ্ছে। এতে স্থানীয় কিছু চাষি ও ব্যবসায়ীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, কৃষি কর্মকর্তা, চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে আম সংগ্রহের নির্ধারিত সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

৫ মে: গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, বোম্বাই
১৫ মে: হিমসাগর
২৭ মে: ল্যাংড়া
৫ জুন: আম্রপালি

তিনি বলেন, “পরিপক্ক আম বাজারজাত করার জন্য সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরিপক্ব আম যাতে বাজারে না আসে, সে জন্য প্রশাসনের তদারকি অব্যাহত থাকবে।”

সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, এভাবে অপরিপক্ক ও কেমিক্যালযুক্ত আম বাজারজাত অব্যাহত থাকলে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী আমের সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »