1. admin@newstolife.com : admin :
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকায় ইয়াশোদা হাসপাতালের আন্তর্জাতিক সিএমই প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত খুলনায় আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসা নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের দুর্দান্ত সাফল্য, বৃত্তি পেল ১৭ শিক্ষার্থী পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২৬০ কেজি চিংড়ি জব্দ দাড়ার খাল অবমুক্তের দাবিতে কৃষকদের মানববন্ধন, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি আশাশুনিতে খাল থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল জেলের তালায় বীমা ও সঞ্চয়ের নামে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ইউপি সদস্য শাহিদার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

স্বপ্নজয়ী ডা. সারিকা : চীন থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে অনন্য যাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ২১১ বার পঠিত
ডা. সারিকা তাবাসসুম

বিশ্বের বৃহত্তম হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করে এবং বিদেশের মাটিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করে বাংলাদেশে ফিরেছেন তরুণ চিকিৎসক ডা. সারিকা তাবাসসুম। চীনের মর্যাদাপূর্ণ জেংঝু ইউনিভার্সিটি (Zhengzhou University) থেকে এমবিবিএস (MBBS) ডিগ্রি অর্জন শেষে তিনি এখন বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন।

সম্প্রতি দেশে ফিরে প্রথম প্রচেষ্টাতেই বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) আয়োজিত লাইসেন্স পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। দীর্ঘ কয়েক বছরের প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা এবং চীনের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের মানুষের সেবা করতে বদ্ধপরিকর।

ডা. সারিকা তার এই দীর্ঘ যাত্রায় শুধুমাত্র পড়াশোনাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং খেলাধুলাতেও চীনের মাটিতে কুড়িয়েছেন অনেক সম্মান। তার এই সাফল্য বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।

একান্ত সাক্ষাৎকারে ডা. সারিকা তাবাসসুম বলেন, চীনে পড়াশোনা করাটা আমার জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা ছিল। জেংঝু ইউনিভার্সিটির পরিবেশ ছিল অসাধারণ। সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সত্যিই মুগ্ধ হওয়ার মতো। সব মিলিয়ে আমার এমবিবিএস যাত্রার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল আনন্দদায়ক। আমি ইন্টার্নশিপ করেছি ‘ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল’-এ, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম হাসপাতাল। এই ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং শিক্ষণীয়। সেখানকার প্রফেসররা খুবই বন্ধুসুলভ ছিলেন এবং হাতে-কলমে শেখার ক্ষেত্রে তারা সব সময় সাহায্য করতেন। আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ সেখানে প্রচুর। আমি ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসব এবং পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতাম। সেখানে অনেকগুলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমি নাচ পরিবেশন করেছি। এছাড়া খেলাধুলার প্রতিও আমার ঝোঁক ছিল; একবার ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় আমি মেডেলও জিতেছিলাম।

বর্তমানে আমি দেশেই প্র্যাকটিস করব। তবে ভবিষ্যতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন বা উন্নততর প্র্যাকটিসের সুযোগ পেলে আমি আবারো চীনে ফিরে যেতে আগ্রহী। চীনের সেই পরিবেশ এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি আমার একটি আলাদা টান সবসময়ই কাজ করে।

ডা. সারিকা তাবাসসুমের এই সাফল্য কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি বিদেশে পড়তে যাওয়া হাজারো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিশ্বের বৃহত্তম হাসপাতালে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সবার। চীনের আধুনিক শিক্ষা আর স্বদেশের সেবার সংকল্পে ডা. সারিকার এই পথচলা আগামী দিনের তরুণ চিকিৎসকদের জন্য নিঃসন্দেহে এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »