1. admin@newstolife.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএমটিএ-এর সভাপতি মুফাসসেরুল হক, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সিতাবুর রহমান এসএসসি বৃত্তির ফলাফলে পলাশের সেরা তালিকায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ–জাপান মেডিকেল ট্যুরিজম সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে চেন্নাইয়ের SRM PRIME HOSPITAL-এর মতবিনিময় সভা ভূইয়মে একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি, চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগ উন্নত থোরাসিক সার্জারিতে এআই ও রোবটিকস: ঢাকায় অভিজ্ঞতা বিনিময় করলেন ভারতীয় বিশেষজ্ঞ চীনের ফোশানে অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক অনকোলজি ফোরাম ও সামিট ২০২৬ ঢাকায় আসছেন ভারতের ম্যাক্স হেলথকেয়ারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অবহেলা-অব্যবস্থাপনায় আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট, নাজুক পরিবেশ ও অনিয়মের অভিযোগ—তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

স্বপ্নজয়ী ডা. সারিকা : চীন থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে অনন্য যাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ২৬১ বার পঠিত
ডা. সারিকা তাবাসসুম

বিশ্বের বৃহত্তম হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করে এবং বিদেশের মাটিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করে বাংলাদেশে ফিরেছেন তরুণ চিকিৎসক ডা. সারিকা তাবাসসুম। চীনের মর্যাদাপূর্ণ জেংঝু ইউনিভার্সিটি (Zhengzhou University) থেকে এমবিবিএস (MBBS) ডিগ্রি অর্জন শেষে তিনি এখন বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবায় আত্মনিয়োগ করেছেন।

সম্প্রতি দেশে ফিরে প্রথম প্রচেষ্টাতেই বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) আয়োজিত লাইসেন্স পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। দীর্ঘ কয়েক বছরের প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা এবং চীনের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের মানুষের সেবা করতে বদ্ধপরিকর।

ডা. সারিকা তার এই দীর্ঘ যাত্রায় শুধুমাত্র পড়াশোনাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং খেলাধুলাতেও চীনের মাটিতে কুড়িয়েছেন অনেক সম্মান। তার এই সাফল্য বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।

একান্ত সাক্ষাৎকারে ডা. সারিকা তাবাসসুম বলেন, চীনে পড়াশোনা করাটা আমার জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা ছিল। জেংঝু ইউনিভার্সিটির পরিবেশ ছিল অসাধারণ। সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সত্যিই মুগ্ধ হওয়ার মতো। সব মিলিয়ে আমার এমবিবিএস যাত্রার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল আনন্দদায়ক। আমি ইন্টার্নশিপ করেছি ‘ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল’-এ, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম হাসপাতাল। এই ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং শিক্ষণীয়। সেখানকার প্রফেসররা খুবই বন্ধুসুলভ ছিলেন এবং হাতে-কলমে শেখার ক্ষেত্রে তারা সব সময় সাহায্য করতেন। আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ সেখানে প্রচুর। আমি ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসব এবং পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতাম। সেখানে অনেকগুলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমি নাচ পরিবেশন করেছি। এছাড়া খেলাধুলার প্রতিও আমার ঝোঁক ছিল; একবার ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় আমি মেডেলও জিতেছিলাম।

বর্তমানে আমি দেশেই প্র্যাকটিস করব। তবে ভবিষ্যতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন বা উন্নততর প্র্যাকটিসের সুযোগ পেলে আমি আবারো চীনে ফিরে যেতে আগ্রহী। চীনের সেই পরিবেশ এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি আমার একটি আলাদা টান সবসময়ই কাজ করে।

ডা. সারিকা তাবাসসুমের এই সাফল্য কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি বিদেশে পড়তে যাওয়া হাজারো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিশ্বের বৃহত্তম হাসপাতালে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সবার। চীনের আধুনিক শিক্ষা আর স্বদেশের সেবার সংকল্পে ডা. সারিকার এই পথচলা আগামী দিনের তরুণ চিকিৎসকদের জন্য নিঃসন্দেহে এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »