1. admin@newstolife.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অবহেলা-অব্যবস্থাপনায় আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট, নাজুক পরিবেশ ও অনিয়মের অভিযোগ—তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি নরসিংদীর সব উপজেলায় এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন সম্পন্ন ঢাকায় শেষ হলো চীনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দুই দিনব্যাপী সেমিনার স্পাইন ও অর্থোপেডিক চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত: রোবোটিক ও এন্ডোস্কোপিক প্রযুক্তিতে দ্রুত সুস্থতার আশ্বাস রান্নার এলপিজি সিলিন্ডারে চলছে মোহনগঞ্জের সিএনজি শতভাগ জিপিএ-৫: নাসিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুলকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের শোকজ বরিশালের ‘বাংলার আপেল’ পেয়ারা: সবুজের রাজ্যে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, তলানিতে বরিশাল

সময়ে চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ, সাতক্ষীরায় প্রাণ গেল ১৩ বছরের তাহসিনের

শাহেদ আহমেদ, সাতক্ষীরা
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ৫১ বার পঠিত

সাতক্ষীরার বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান সাতক্ষীরা ট্রমা সেন্টারের বিরুদ্ধে সময়মতো চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ১৩ বছর বয়সী কিশোর তাহসিনের পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, অক্সিজেন সাপোর্ট ও দ্রুত উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে স্থানান্তরের ব্যবস্থা না করায় মৃত্যুবরণ করেছে তাহসিন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে নারকেল গাছে উঠতে গিয়ে গুরুতর আহত হয় তাহসিন। পরে তাকে দ্রুত সাতক্ষীরা ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় কোনো চিকিৎসক ও নার্সকে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।

নিহতের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর বেশ কিছু সময় অপেক্ষার পর সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. অসীম কুমার সরকার রোগীকে দেখেন এবং কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন হলেও রিপোর্ট হাতে পেতে রাত প্রায় ৯টা বেজে যায়। পরে রিপোর্ট পর্যালোচনা করে চিকিৎসক জানান, তাহসিনের ফুসফুসে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং ওই হাসপাতালে তার চিকিৎসা সম্ভব নয়।

পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাহসিন শ্বাসকষ্টে ভুগলেও তাকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হয়নি। তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়া সত্ত্বেও আইসিইউ সাপোর্টের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসাকর্মীদেরও অনেক সময় খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তারা।

স্বজনদের আরও অভিযোগ, উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে সহযোগিতা করেনি। অথচ চিকিৎসা ব্যয় বাবদ প্রায় ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তারা।

পরে রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাহসিনের মৃত্যু হয়।

নিহত তাহসিন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের মান্নানের ছেলে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাতক্ষীরা ট্রমা সেন্টারের মালিক ডা. হাফিজ উল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে হাসপাতালের ম্যানেজার জনি প্রথমে মৃত্যুর ঘটনা অস্বীকার করলেও পরে তাহসিনের মৃত্যুর বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, “রোগীর চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা করা হয়নি। চিকিৎসকরা যথাযথ চিকিৎসা দিয়েছেন।”

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নিহতের পরিবার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »