1. admin@newstolife.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অবহেলা-অব্যবস্থাপনায় আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট, নাজুক পরিবেশ ও অনিয়মের অভিযোগ—তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি নরসিংদীর সব উপজেলায় এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন সম্পন্ন ঢাকায় শেষ হলো চীনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দুই দিনব্যাপী সেমিনার স্পাইন ও অর্থোপেডিক চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত: রোবোটিক ও এন্ডোস্কোপিক প্রযুক্তিতে দ্রুত সুস্থতার আশ্বাস রান্নার এলপিজি সিলিন্ডারে চলছে মোহনগঞ্জের সিএনজি শতভাগ জিপিএ-৫: নাসিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুলকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের শোকজ বরিশালের ‘বাংলার আপেল’ পেয়ারা: সবুজের রাজ্যে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, তলানিতে বরিশাল

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে সাংস্কৃতিক মঞ্চ: চীনের ইয়াংজু বিশ্ববিদ্যালয়ে মারিয়ার জয়যাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৭ বার পঠিত
মেরি মারিয়া আক্তার মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট (২০২৪ ব্যাচ) ইয়াংঝু বিশ্ববিদ্যালয়, জিয়াংসু, চীন

শিক্ষা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা সমুন্নত রাখছেন মেধাবী তরুণী মেরি মারিয়া আক্তার। চীনের বিখ্যাত ইয়াংজু বিশ্ববিদ্যালয়ে (Yangzhou University) ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এই শিক্ষার্থী তার অসামান্য একাডেমিক সাফল্যের জন্য অর্জন করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘জিয়াংসু গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ’। কেবল ল্যাবরেটরি বা যন্ত্রকৌশলের জটিল সমীকরণেই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক মঞ্চেও মারিয়া এখন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।

সাধারণত মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংকে একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় হিসেবে দেখা হয়, যেখানে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম। কিন্তু মারিয়া সেই ধারণা ভেঙে দিয়ে নিজের মেধার স্বাক্ষর রাখছেন। তার এই কৃতিত্বপূর্ণ স্কলারশিপ প্রাপ্তি কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সক্ষমতারই প্রমাণ।

সাফল্যের এই শিখরে পৌঁছানোর গল্প শুনতে আমরা যোগাযোগ করেছিলাম মারিয়ার সাথে। মারিয়া বলেন, “শুরুর দিকে কিছুটা কঠিন মনে হলেও এখন আমি বিষয়টিকে খুব উপভোগ করছি। বিশেষ করে ইয়াংজু বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নত ল্যাব সুবিধা আমাকে অনেক কিছু শিখতে সাহায্য করছে। ২০২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি চাই আমার সেরাটা দিয়ে পড়াশোনা শেষ করতে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নিয়ে মারিয়া বলেন, “আমি মনে করি একজন ইঞ্জিনিয়ারের ভেতরেও একজন শিল্পী থাকতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামে নাচের পারফরম্যান্স করার সময় আমি দেশের সংস্কৃতিকেই উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। পড়াশোনার চাপের মাঝে নাচ আমাকে মানসিক প্রশান্তি দেয় এবং নতুন উদ্যমে কাজ করার শক্তি জোগায়।”

মেরি মারিয়া আক্তারের এই বহুমুখী প্রতিভা আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য এক বড় উদাহরণ। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে যেমন স্কলারশিপের মতো বৈশ্বিক স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব, তেমনি নিজের সৃজনশীলতাকে বাঁচিয়ে রেখেও একাডেমিক ক্যারিয়ার গড়া যায়—মারিয়া সেটিই প্রমাণ করেছেন। ইয়াংজু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুম থেকে নাচের স্টেজ পর্যন্ত তার এই সফল বিচরণ আগামীতে আরও অনেক শিক্ষার্থীকে বিদেশের মাটিতে উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করবে। দেশের নাম উজ্জ্বল করা এই লড়াকু তরুণীর জন্য রইল নিরন্তর শুভকামনা।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »