1. admin@newstolife.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অবহেলা-অব্যবস্থাপনায় আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট, নাজুক পরিবেশ ও অনিয়মের অভিযোগ—তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি নরসিংদীর সব উপজেলায় এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন সম্পন্ন ঢাকায় শেষ হলো চীনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দুই দিনব্যাপী সেমিনার স্পাইন ও অর্থোপেডিক চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত: রোবোটিক ও এন্ডোস্কোপিক প্রযুক্তিতে দ্রুত সুস্থতার আশ্বাস রান্নার এলপিজি সিলিন্ডারে চলছে মোহনগঞ্জের সিএনজি শতভাগ জিপিএ-৫: নাসিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুলকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের শোকজ বরিশালের ‘বাংলার আপেল’ পেয়ারা: সবুজের রাজ্যে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, তলানিতে বরিশাল

চীনে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি যুবক: প্রথম বিদেশি বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী হিসেবে রিশাত ইবতিশামের খ্যাতি

বেইজিং, চীন প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭১ বার পঠিত
ছবি: রিশাত ইবতিশাম, ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার, চীন

সুদূর চীনে নিজের মেধা ও পরিশ্রমের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন বাংলাদেশি তরুণ রিশাত ইবতিশাম। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চীনে বসবাসরত রিশাত এবার এক অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। চীনের পূর্ব উপকূলীয় প্রদেশ জিয়াংসু (Jiangsu)-তে প্রথম বিদেশি বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী (Wildlife Photographer) হিসেবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছেন তিনি।
তার লেন্সের মাধ্যমে জিয়াংসুর জীববৈচিত্র্য এবং বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীদের নান্দনিক উপস্থাপনা স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশবিদদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

রিশাত ইবতিশাম গত এক দশক ধরে চীনে অবস্থান করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি প্রকৃতির প্রতি তার গভীর টান তাকে নিয়ে গেছে চীনের গহীন অরণ্য ও সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। বিশেষ করে জিয়াংসু প্রদেশের জলাভূমি এবং উপকূলীয় অঞ্চলের বন্যপ্রাণীদের জীবনযাত্রা ক্যামেরাবন্দি করা ছিল তার নেশা।

জিয়াংসু প্রদেশ তার সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত। তবে এই প্রথম কোনো বিদেশি নাগরিককে ওই অঞ্চলে বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পর্যায়ের স্বীকৃতি ও খ্যাতি দেওয়া হলো। তার তোলা ছবিগুলো কেবল শিল্প নয়, বরং ওই অঞ্চলের পরিবেশ সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই অর্জন সম্পর্কে রিশাত ইবতিশাম বলেন, “আমি সবসময়ই প্রকৃতির ভাষা বুঝতে চেয়েছি। চীনে দীর্ঘ ১০ বছর থাকার সুবাদে আমি এখানকার পরিবেশকে নিজের করে নিয়েছি। প্রথম বিদেশি হিসেবে জিয়াংসুতে এই পরিচিতি পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। আমি চাই আমার কাজের মাধ্যমে মানুষ প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় আরও সচেতন হোক।”

রিশাতের এই সাফল্য বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তার তোলা ছবিগুলো ইতিমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রশংসিত হয়েছে। জিয়াংসুর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও তার এই কৃতিত্বের কথা গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করেছে।

রিশাত ইবতিশামের এই অনন্য অর্জন কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছে এক বিরল সম্মান। চীনের জিয়াংসু প্রদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলে প্রথম বিদেশি বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী হিসেবে খ্যাতি পাওয়া তার এক দশকের নিরলস সাধনারই প্রতিফলন। প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণীর প্রতি তার এই নিবিড় মমতা এবং লেন্সের কারিশমা বেইজিং থেকে ঢাকা—সর্বত্রই প্রশংসা কুড়াচ্ছে। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের এই ‘অদম্য তারুণ্যের’ জয়যাত্রা ভবিষ্যতে আরও অনেককে অনুপ্রাণিত করবে, এমনটাই প্রত্যাশা সবার। ভবিষ্যতে তিনি চীনের অন্যান্য প্রান্তেও তার এই কাজ ছড়িয়ে দিতে চান এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে চান।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »