1. admin@newstolife.com : admin :
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকায় ইয়াশোদা হাসপাতালের আন্তর্জাতিক সিএমই প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত খুলনায় আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসা নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের দুর্দান্ত সাফল্য, বৃত্তি পেল ১৭ শিক্ষার্থী পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২৬০ কেজি চিংড়ি জব্দ দাড়ার খাল অবমুক্তের দাবিতে কৃষকদের মানববন্ধন, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি আশাশুনিতে খাল থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল জেলের তালায় বীমা ও সঞ্চয়ের নামে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ইউপি সদস্য শাহিদার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

চীনে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি যুবক: প্রথম বিদেশি বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী হিসেবে রিশাত ইবতিশামের খ্যাতি

বেইজিং, চীন প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬
  • ২২৪ বার পঠিত
ছবি: রিশাত ইবতিশাম, ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার, চীন

সুদূর চীনে নিজের মেধা ও পরিশ্রমের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন বাংলাদেশি তরুণ রিশাত ইবতিশাম। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চীনে বসবাসরত রিশাত এবার এক অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। চীনের পূর্ব উপকূলীয় প্রদেশ জিয়াংসু (Jiangsu)-তে প্রথম বিদেশি বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী (Wildlife Photographer) হিসেবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছেন তিনি।
তার লেন্সের মাধ্যমে জিয়াংসুর জীববৈচিত্র্য এবং বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীদের নান্দনিক উপস্থাপনা স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশবিদদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

রিশাত ইবতিশাম গত এক দশক ধরে চীনে অবস্থান করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি প্রকৃতির প্রতি তার গভীর টান তাকে নিয়ে গেছে চীনের গহীন অরণ্য ও সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। বিশেষ করে জিয়াংসু প্রদেশের জলাভূমি এবং উপকূলীয় অঞ্চলের বন্যপ্রাণীদের জীবনযাত্রা ক্যামেরাবন্দি করা ছিল তার নেশা।

জিয়াংসু প্রদেশ তার সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত। তবে এই প্রথম কোনো বিদেশি নাগরিককে ওই অঞ্চলে বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পর্যায়ের স্বীকৃতি ও খ্যাতি দেওয়া হলো। তার তোলা ছবিগুলো কেবল শিল্প নয়, বরং ওই অঞ্চলের পরিবেশ সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই অর্জন সম্পর্কে রিশাত ইবতিশাম বলেন, “আমি সবসময়ই প্রকৃতির ভাষা বুঝতে চেয়েছি। চীনে দীর্ঘ ১০ বছর থাকার সুবাদে আমি এখানকার পরিবেশকে নিজের করে নিয়েছি। প্রথম বিদেশি হিসেবে জিয়াংসুতে এই পরিচিতি পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। আমি চাই আমার কাজের মাধ্যমে মানুষ প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় আরও সচেতন হোক।”

রিশাতের এই সাফল্য বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তার তোলা ছবিগুলো ইতিমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রশংসিত হয়েছে। জিয়াংসুর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও তার এই কৃতিত্বের কথা গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করেছে।

রিশাত ইবতিশামের এই অনন্য অর্জন কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছে এক বিরল সম্মান। চীনের জিয়াংসু প্রদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলে প্রথম বিদেশি বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী হিসেবে খ্যাতি পাওয়া তার এক দশকের নিরলস সাধনারই প্রতিফলন। প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণীর প্রতি তার এই নিবিড় মমতা এবং লেন্সের কারিশমা বেইজিং থেকে ঢাকা—সর্বত্রই প্রশংসা কুড়াচ্ছে। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের এই ‘অদম্য তারুণ্যের’ জয়যাত্রা ভবিষ্যতে আরও অনেককে অনুপ্রাণিত করবে, এমনটাই প্রত্যাশা সবার। ভবিষ্যতে তিনি চীনের অন্যান্য প্রান্তেও তার এই কাজ ছড়িয়ে দিতে চান এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে চান।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »