1. admin@newstolife.com : admin :
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকায় ইয়াশোদা হাসপাতালের আন্তর্জাতিক সিএমই প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত খুলনায় আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসা নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের দুর্দান্ত সাফল্য, বৃত্তি পেল ১৭ শিক্ষার্থী পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২৬০ কেজি চিংড়ি জব্দ দাড়ার খাল অবমুক্তের দাবিতে কৃষকদের মানববন্ধন, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি আশাশুনিতে খাল থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল জেলের তালায় বীমা ও সঞ্চয়ের নামে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ইউপি সদস্য শাহিদার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

কোষ্ঠকাঠিন্যের সহজ সমাধান দিলেন ডা. তাসনিম জারা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৮ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

পেট পরিষ্কার না হওয়া, পায়খানা করতে কষ্ট হওয়া এবং টয়লেটে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হওয়া—এসবই কোষ্ঠকাঠিন্যের সাধারণ লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যার করণীয় নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ডা. তাসনিম জারা, যিনি বর্তমানে University of Oxford-এ ‘এভিডেন্স বেজড মেডিসিন’ বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন।

যেসব কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যে হয়:

১. খাদ্যে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ না থাকা

পেট পরিষ্কার করার জন্য খাবারে আঁশ থাকা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পেটের ভেতর যেখানে মল তৈরি হয় সেখানে আশঁ স্পঞ্জের মতো কাজ করে। অর্থাৎ পানি শোষণ ও ধারণ করার মাধ্যমে মলে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে মল নরম ও ভারী এবং তা সহজেই বেরিয়ে আসে। শুধু তাই নয়, স্বাভাবিক মল তৈরিতে আঁশ আরও অনেকভাবে সাহায্য করে।

সমাধান: যেসব খাবারে ফাইবার বা আঁশ বেশি সেগুলো খেতে হবে। যেসব খাবারে আঁশ বেশি সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ডাল, ছোলা, গাজর, শসা, টমেটো, আপেল, কলাসহ প্রায় সব শাকসবজি, ফলমূল ও অন্যান্য গোটা শস্য দানা ইত্যাদি। গোটা শস্য দানা হচ্ছে লাল চাল, লাল আটা ইত্যাদি।

খাদ্যাভ্যাসে কী কী পরিবর্তন আনলে খাবারে আঁশের পরিমাণ বাড়বে? এর সহজ উপায়গুলো হলো-

ক. রুটি বা ভাতের সঙ্গে ডাল খাওয়া।

খ. প্রতি বেলায় সবজি খাওয়া।

গ. শসা-গাজর-টমেটোর সালাদ খাওয়া।

ঘ. নাস্তার সঙ্গে যে কোনো একটা ফল যেমন- কলা, আপেল, নাশপাতি বা বাদাম খাওয়া।

ঙ. যেসব ফল ও শাক-সবজি খোসাসহ খাওয়া যায় সেগুলো খোসা-সহই খেতে হবে। তবে তার আগে অবশ্যই সেগুলো ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে।

চ. যতটা সম্ভব ফল বা সবজি আস্ত রেখে খাওয়া। ব্লেন্ড বা জুস কিংবা ভর্তা বানালে আঁশ কমে যায়।

তবে এক্ষেত্রে দুটি বিষয়ে সাবধান হতে হবে। হঠাৎ করে খাবারে আঁশের পরিমাণ বেশি বাড়ানো হলে পেট ভাপা দেখা দিতে পারে। তাই ধীরে ধীরে খাবারে আঁশের পরিমাণ বাড়াতে হবে।

২. যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান না করা
মল নরম হতে হলে শরীরে পানির প্রয়োজন হয়। যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান না করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

সমাধান: দিনে অন্তত ২ লিটার পানি পান করা।

৩. দীর্ঘ সময় ধরে শুয়ে-বসে থাকা

হাঁটা-চলা কমিয়ে দিলে, শারীরিক পরিশ্রম কম হলে এবং অনেকক্ষণ সময় ধরে শুয়ে-বসে থাকলে এবং ব্যায়াম না করলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। শারীরিক পরিশ্রম ও শরীর চর্চা বৃহদন্ত্র সচল হয় এবং স্বাভাবিক মল ত্যাগে সাহায্য করে।

সমাধান: ঘরে বেশি সময় ধরে শুয়ে-বসে না থাকা। শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম করা।

৪. পায়খানা চেপে রাখা

পায়খানা না করে আটকে রাখলে দিন দিন শরীর সেটা থেকে পানি শুষে নেয়। ফলে মল খুবই শুকে যায় এবং তা বের হওয়া কষ্ঠকর হয়ে দাঁড়ায়।

সমাধান: পায়খানার চাপ আসলে বেশি দেরি না করা। যত দ্রুত সম্ভব তা সেরে ফেলা।

যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ আছে তাদের জন্য সবচেয়ে ভাল হয়ে উঁচু কমোড ব্যবহার না করে। বরং নিচু প্যান ব্যবহার করা ভাল।

৫. মানসিক চাপ, উদ্বিগ্নতা ও বিষণ্নতা

অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বিগ্নতা ও বিষণ্নতার কারণে মানসিক চাপ দেখা দিতে পারে।

সমাধান: মানসিক প্রশান্তি আনে কিছু কাজ করার চেষ্টা করুন। সেটা হতে পারে আপনজনের সঙ্গে সময় কাটানো।

আর যদি আপনি মানসিক রোগে ভুগে থাকেন তাহলে চিকিৎসা নিতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর হবে।

৬. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের পার্শ্বপতিক্রিয়া হিসেবে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। এক সঙ্গে পাঁচটির বেশি ওষুধ খেলেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাবনা বাড়ে।

সমাধান: নতুন ওষুধ খাওয়া শুরু করার পর যদি মনে হয় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। হয়তো তিনি ওষুধ পরিবর্তন করে দিতে পারেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »