1. admin@newstolife.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএমটিএ-এর সভাপতি মুফাসসেরুল হক, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সিতাবুর রহমান এসএসসি বৃত্তির ফলাফলে পলাশের সেরা তালিকায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ–জাপান মেডিকেল ট্যুরিজম সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে চেন্নাইয়ের SRM PRIME HOSPITAL-এর মতবিনিময় সভা ভূইয়মে একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি, চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগ উন্নত থোরাসিক সার্জারিতে এআই ও রোবটিকস: ঢাকায় অভিজ্ঞতা বিনিময় করলেন ভারতীয় বিশেষজ্ঞ চীনের ফোশানে অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক অনকোলজি ফোরাম ও সামিট ২০২৬ ঢাকায় আসছেন ভারতের ম্যাক্স হেলথকেয়ারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অবহেলা-অব্যবস্থাপনায় আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট, নাজুক পরিবেশ ও অনিয়মের অভিযোগ—তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

সমুদ্রের তলদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—চীনের উদ্ভাবনী আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার

হাইনান, চীন
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৯৮ বার পঠিত

প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেটা সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা। তবে এই বিশাল সার্ভারগুলো ঠান্ডা রাখতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ এবং মিঠা পানি খরচ হয়, তা পরিবেশের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যার সমাধানে এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিয়েছে চীন। দেশটির হাইনান প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্রের নিচে স্থাপন করা হয়েছে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক ‘আন্ডারওয়াটার ইন্টেলিজেন্ট কম্পিউটিং ক্লাস্টার’।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ মিটার গভীরে সীলযুক্ত বিশাল স্টিল মডিউলের ভেতরে স্থাপন করা হয়েছে এই ডেটা সেন্টার। প্রতিটি মডিউলে প্রায় ৫০০টি হাই-পারফরম্যান্স সার্ভার রাখা সম্ভব। বর্তমানে এই সিস্টেমটি চীনের জনপ্রিয় AI মডেল DeepSeek-এর প্রতি সেকেন্ডে ৭,০০০-এর বেশি অনুরোধ বা কনভারসেশন প্রসেস করছে। এর কম্পিউটিং ক্ষমতা প্রায় ৩০,০০০ হাই-এন্ড গেমিং কম্পিউটারের সমান।

সাধারণ ডেটা সেন্টারে সার্ভার ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পরিমাণে এসি এবং কোটি কোটি লিটার মিঠা পানি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই আন্ডারওয়াটার প্রজেক্টে সমুদ্রের প্রাকৃতিক ঠান্ডা পানিকে কুলিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে:
* শক্তি সাশ্রয়: কুলিং সম্পর্কিত বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ৪০% থেকে ৯০% পর্যন্ত কমে এসেছে।
* পানি সংরক্ষণ: কোনো মিঠা পানির প্রয়োজন হচ্ছে না, যা বছরে প্রায় ১,০৫,০০০ টন পানি সাশ্রয় করবে।
* জায়গার সাশ্রয়: ডাঙায় বিশাল জমি দখলের পরিবর্তে সমুদ্রের তলদেশ ব্যবহার করায় ভূমি সম্পদের ওপর চাপ কমছে।
বাণিজ্যিক কার্যকারিতা
এটি কেবল একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প নয়, বরং সম্পূর্ণ কার্যকর একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র। প্রায় ১০টি বড় কোম্পানি বর্তমানে এটি AI ট্রেনিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিমুলেশন এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের জন্য ব্যবহার করছে। প্রতিটি মডিউল প্রায় ২৫ বছর স্থায়ী হওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এগুলো সমুদ্রের লোনা পানির ক্ষয়রোধে সক্ষম বিশেষ আবরণে ঢাকা।

বিশ্বজুড়ে যখন AI-এর চাহিদা বাড়ছে, তখন চীনের এই ‘ব্লু ইকোনমি’ এবং ‘গ্রিন টেক’-এর সমন্বয় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির এক নতুন উদাহরণ তৈরি করেছে। মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানি আগে এমন পরীক্ষা চালালেও চীনই প্রথম একে বৃহৎ পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে সফল করে দেখাল।

তথ্যসূত্র: হাইনান ডেইলি ও গ্লোবাল টাইমস (২০২৫-২৬ আপডেট)।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
Eng »